স্বাগতম

মোদের গরব, মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা |পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলাভাষী মানুষের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই!

বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৫

বাংলাদেশের "তৈরি পোশাক শিল্পে"র কিছু ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটঃ-২ (Some Historical Background About Bangladesh RMG-02)

বাংলাদেশের "তৈরি পোশাক শিল্পে"র কিছু ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের কিছু ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটঃ-১ (Some Historical Background About Bangladesh RMG-01)    ...... এর পরে

১৯৯৫ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের টেক্সটাইল এ্যান্ড ক্লথিং এগ্রিমেন্ট(ATC) চুক্তি  বাংলাদেশকে আমেরিকা,কানাডা ও ইউরোপিয়ান দেশের বাজার ধরতে  আরও সহায়তা করে


রপ্তানি বাজার
ইউ এস এ (টেক্সটাইল)
ইউ এসএ
(ক্লথিং)
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে(টেক্সটাইল)
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে(ক্লথিং)
১৯৯৫ সালে




বাংলাদেশের শেয়ার
>৩%
৪%
<৩%
৩%





২০০৪ সালে




বাংলাদেশের শেয়ার
৩%
২%
৩%
        ৪%


 উপড়ের টেবিলে  (ATC) বলবৎ থাকাকালীন সময়ে বাংলাদেশের বাজারের যে পরিবর্তনকে দেখানো হয়েছে
বর্তমানে বাংলাদেশের ৯০% রপ্তানি হয় আমেরিকা ও ইউরোপের দেশ । ওভেন শার্ট,টি- শার্ট, ট্রাওজার,সয়েটার ,জ্যাকেট বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য ।

তবে ২০০৫ সালে যখন মাল্টি ফাইবার এগ্রিমেন্ট (MFA) ও (ATC) এর একসাথে অবলুপ্তি ঘটে তখন বাংলাদেশের গার্মেন্টস কিভাবে তার সামাল দেবে সেটা ছিল একটা চিন্তার বিষয়  একটা বড় প্রশ্ন ছিল চীনের মত বিখ্যাত কম মূল্যের পণ্যের দেশের সাথে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ কতটা সফল হবে ?

 কিন্তু ২০০৪ থেকে ২০০৭ এর মধ্যে বাংলাদেশের টেক্সটাইল আশ্চর্যজনক প্রবৃদ্ধির দেখা পায় । এবং ২০০৯ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা বাংলাদেশে তেমন কোন প্রভাবই ফেলতে পারে নি । যদিও একই সময়ে গ্রীস ও পর্তুগালের মত উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পরে

কোঁটার হ্রাস,দুর্বল অবকাঠামো,বিদ্যুৎ স্বল্পতা,আমদানি নির্ভর কাচামাল,বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ইত্যাদি অনেকগুলো সমস্যাকে কাটিয়ে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পের আজকের অবস্থানের মুলে যে কারণটিকে মুখ্য মনে করা হয় তা হল বিশাল অদক্ষ জনশক্তি ও সস্তা শ্রম । বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকেরা বিশ্বের অবহেলিত শ্রমিক সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রথম সারিরখুবই অল্প বেতনে এদেশের শ্রমিকেরা কাজ করে বিধায় বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প আজকে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে একটি টি-শার্ট তৈরি করতে অ্যামেরিকার খরচ হয় ৭.৪৭ ডলার বাংলাদেশে মাত্র ০.২২ ডলারে একই টি-শার্ট তৈরি করা যায়

চীনে শ্রমের মূল্যের বৃদ্ধির কারনে টেক্সটাইল ব্যাবসায় বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি আরও সম্প্রসারিত হবে আশা করা হচ্চে । ২০০৬ সালে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্বে চীন,ই ইউ,হংকং, তুর্কী এবং ভারতের পেছনে ষষ্ট অবস্থানে ছিল,২০১১ সালে ৫ বছরের ব্যবধানে ২য় স্থানে উঠে আসে  

২০১২-১৩ অর্থবছরে ব্যাবসার পরিমান ছিল ২৩ বিলিয়ন ডলার ।  ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক ব্যাবসায়িক পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান মেকেন্সির ভাষ্যমতে অ্যামেরিকা ও ইউরোপের ৮০% আমদানি নির্ভর পোশাক কোম্পানি চীনের পরিবর্তে বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা কথা চিন্তা করছে । কারণ বাংলাদেশই সেই দেশ যেখানে বিশ্বে সবথেকে কম মূল্যে পোশাক পাওয়া যায় ।                          

তথ্যসুত্রঃ
http://www.investopedia.com/terms/m/multi-fiber-arrangement.asp

https://en.wikipedia.org/wiki/Bangladeshi_RMG_Sector

http://en.maquilasolidarity.org/issues/trade/MFA

http://rantoshak.blogspot.com/2012/05/impact-and-unforseen-implications-of.html

https://en.wikipedia.org/wiki/Multi_Fibre_Arrangement

https://www.wto.org/english/thewto_e/whatis_e/tif_e/agrm5_e.htm

https://www.wto.org/english/docs_e/legal_e/16-tex_e.htm

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 

দর্শক সংখ্যা

বিজ্ঞাপন

যোগাযোগ Amitptec6th@gmail.com

সতর্কবার্তা

বিনা অনুমতিতে টেক্সটাইল ম্যানিয়ার - কন্টেন্ট ব্যাবহার করা আইনগত অপরাধ,যেকোন ধরণের কপি পেস্ট কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং কপিরাইট আইনে বিচারযোগ্য !