স্বাগতম

মোদের গরব, মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা |পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলাভাষী মানুষের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই!

বুধবার, ২২ জুলাই, ২০১৫

টেক্সটাইল শিল্পের ১৪ টি চমকপ্রদ পরিসংখ্যান( 14 Astonishing Statistics About World Textile Industry)



পৃথিবীর জনসংখ্যা বর্তমানে প্রায় সাতশ কোটির উপড়ে।প্রতি সেগেন্ডে যদি একজন করে মানুষ গোনা যায় তাহলে সাতশ কোটি মানুষকে গুনতে লেগে যাবে ৩২ বছর।এ সাতশ কোটি মানুষের প্রত্যেকের যদি গড়ে নুন্যতম একটি শার্ট,একটি জ্যাকেট ও এক জোড়া প্যান্ট থাকে তাহলে মোট পোশাকের  সংখ্যা দাঁড়ায় ২১ শো কোটি।  ২১ শো কোটি পোশাক গণনা করতে সময় লাগবে প্রায় ৬৭২ বছর।তবে এটা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে খুব কম মানুষই এই মাত্র তিনটি পোশাকেই জীবনযাপন করেন।তার মানে আসল সংখ্যাটা ২১ কোটিরও অনেক বেশি হবে।যেহেতু বস্ত্র মানুষের মৌলিক চাহিদার তৃতীয়
, তাই বস্ত্র শিল্পনিয়ে এরকম বড় বড় অংকের আরও অনেক পরিসংখান রয়েছে।আসুন দেখা যাক

১. ২০১০ সালের হিসেব অনুযায়ী বিশ্বের টেক্সটাইল শিল্পের মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ২৫৬০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার।টাকার হিসেবে উনিশ কোটি বিলিয়ন।

২. বাচ্চাদের পোশাকের বাজার ২০১৪ সালে ১৮৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল।প্রতি পাঁচ বছরে বাচ্চা পোশাকের বাজার ১৫ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি পেয়ে আসছে।

৩.  ২০১৫ সালে বিশ্বে বিবাহ পোশাকের বাজার ছিল ৫৭ বিলিয়ন ডলার।

৪. ছেলেদের পোশাকের বাজার ৪০২ বিলিয়ন ডলারের।

৬. মেয়েদের পোশাকের বাজার দর ৬২১ বিলিয়ন ডলার।

৭. পরিবেশ দূষণ থেকে বাচতে উন্নত দেশগুলো ইতোমধ্যে জৈব পদ্ধতিতে চাষাবাদের দিকে গুরুত্ব দিয়েছে। তা সত্ত্বেও জৈব পদ্ধতিতে চাষ করা অরগানিক তুলাজাত পোশাকের বাজারের খুব বেশি উন্নতি হয় নি। ২০১০ এর বাজার ছিল মাত্র ৫ বিলিয়ন ডলার।

৮. গড়ে আমেরিকার প্রত্যেক পরিবার বছরে তাদের পোশাক ও জুতার পেছনে ১৭০০ ডলার খরচ করে থাকে।



৯. আমেরিকার অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক শহর ও সবচেয়ে জনবহুল শহর ম্যানহাটন ।গড়ে সেখানকার প্রতিটি মানুষ  মাসে ৩৬২ ডলারের পোশাক ক্রয় করে।  

১০. ২০১০ সালে চীনের টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি ৪১.৩ মিলিয়ন টন ফাইবার ব্যাবহার করে যা পৃথিবীর মোট পরিমাণের ৫০-৫২ শতাংশ।

১১. প্রতিবছর চীন ৩ বিলিয়ন ওজোনের সমান সুট তৈরি করে।

১২. গড়ে প্রত্যেক চাইনা ইন্ডাস্ট্রি ১ টন ফেব্রিক ডাই করার জন্য ২০০ টন করে পানি ব্যাবহার করে।

১৩.  প্রতিবছর টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি ২.৫ বিলিয়ন টন দূষিত পানি নিষ্কাশন করে থাকে।

১৪. গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন ভাতার দিক দিয়ে আমেরিকা সবার আগে।সেখানকার শ্রমিক প্রতিঘন্টায় ৮.৪১ ডলার মানে প্রায় ৬৫৩ টাকা আয় করে , আর সবার নিচে বাংলাদেশ মাত্র ০.৩৫ ডলার অর্থাৎ ২৭.২০ টাকা ।অথচ বাংলাদেশ উৎপাদন ও রপ্তানির দিক দিয়ে বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে যাদের মোট রপ্তানির পরিমাণ  ৩.৪১ বিলিয়ন ডলার.
ভিয়েতনাম ও চীনের শ্রমিকদের আয় যথাক্রমে ০.৫২  ০.৯৩ ডলার প্রতি ঘন্টায়।
 তত্থ্যসুত্রঃ

https://en.wikipedia.org/wiki/Manhattan

http://infochangeindia.org/livelihoods/news/indias-textile-workers-earn-second-lowest-wage-in-the-world.html


http://www.bgmea.com.bd/home/pages/tradeinformation#.Va-0u8m8iG8

http://www.globallabourrights.org/alerts/bangladesh-garment-wages-the-lowest-in-the-world-comparative-garment-worker-wages

http://www.treehugger.com/sustainable-fashion/25-shocking-fashion-industry-statistics.html

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 

দর্শক সংখ্যা

বিজ্ঞাপন

যোগাযোগ Amitptec6th@gmail.com

সতর্কবার্তা

বিনা অনুমতিতে টেক্সটাইল ম্যানিয়ার - কন্টেন্ট ব্যাবহার করা আইনগত অপরাধ,যেকোন ধরণের কপি পেস্ট কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং কপিরাইট আইনে বিচারযোগ্য !