স্বাগতম

মোদের গরব, মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা |পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলাভাষী মানুষের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই!

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০১৫

টেক্সটাইল মিল সম্পর্কিত কিছু সাধারণ কথা(Some Words Towards Textile Mills)


ফাইবার থেকে তৈরি পোশাক পাওয়ার মাঝপথে ফেব্রিক তৈরি হয়।টেক্সটাইল ফেব্রিক এমন একটি বস্তু যাকে নিটিং,উইভিং,ব্রেইডিং,ল্যামিনেটিং,ফেল্টিং,ইয়ার্ণকে গিট দিয়ে অথবা রাসায়নিক বন্ধনের মাধ্যমে সৃষ্টি করা হয়।তৈরি পোশাকে প্রস্তুতিতে ফেব্রিক ই হল মৌলিক পদার্থ বিশ্বে অ্যামেরিকার মানুষ সবচেয়ে বেশি পরিমাণে টেক্সটাইল পণ্য ব্যাবহার করে ।গড় হিসেবে সেখানকার প্রত্যেক ব্যাক্তি বছরে ৮২ পাউন্ড কাপড় ব্যাবহার করে থাকেঅ্যামেরিকার টেক্সটাইল পণ্য ব্যাবহারের ক্ষেত্রগুলোও 


অন্য সব দেশের তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত।পরিধানযোগ্য পোশাক ছাড়াও সেখানে হোম ডেকোরেশন, যানবাহনে,আত্মরক্ষাকারী বস্ত্রে এবং মহাকাশ গবেষণায় প্রচুর পরিমাণে টেক্সটাইল পণ্য ব্যাবহার হয়ে আসছে।
ফাইবার থেকে ইয়ার্ণ প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে ফেব্রিক উৎপাদন ক্রিয়ার শুরু হয়।ফেল্টিং ও নন ওভেনের মত ব্যাতিক্রম ছাড়া অন্যসকল প্রকারের ফেব্রিকে স্পিণিং ও টুইস্টিং আবশ্যক দুটি ধাপ।নিটিং ও উইভিং এর মাধ্যমে যে গ্রে-ফেব্রিক প্রস্তুত হয় তাকে Unfinished Fabric  ও বলা হয়ে থাকে। গ্রে-ফেব্রিক কে পরবর্তীতে ভোক্তার চাহিদা মোতাবেক প্রয়োজনীয় গুণাবলী দানে ফিনিশিং করা হয়।

টেক্সটাইল মিলের প্রকারভেদঃ ভিন্ন ভিন্ন প্রকারের টেক্সটাইল মিল রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন কাজের জন্য যেমন কিছু মিল শুধু প্রয়োজনীয় ফাইবার সংগ্রহ করে, কিছু মিল সঠিক ও গুনগত মানের উপযুক্ত ফাইবারটিকে বাছাই করে স্পিন করে ইয়ার্ণ তৈরি করে , কিছু মিল সেই ইয়ার্ণকে নিয়ে শুধু উইভিং/নিটিং করে গ্রে-ফেব্রিক নির্মাণ করে আবার কিছু মিল গ্রে-ফেব্রিকের ফিনিশিং এর কাজ গুলো সম্পন্ন করে।ডাইং,ন্যাপিং,চাকচিক্য প্রদান করা,আগুন প্রতিরোধী গুন দান করা এবং প্রেসিং সবগুলোই ফিনিশিং এর অন্তর্গত।এই বিভিন্ন কাজের মিল গুলো একক অথবা ভিন্ন মালিকানার হতে পারে । কম্পোজিট মিল গুলোতে উল্লিখিত সবগুলো মিলের একটা সমাবেশ ঘটানো হয় এবং একক মালিকানায় থাকে , যাতে করে সেখানে ফাইবার সংগ্রহ থেকে শুরু করে ফিনিশড ফেব্রিক তৈরি পর্যন্ত সমস্ত কাজ একজায়গাতেই করা সম্ভব হয়।




ভাল ও গাড় রঙের স্বার্থে ওয়েভিং/নিটিং এর আগেই ইয়ার্ণকে ডাই করা যেতে পারে।যাকে ইয়ার্ণ ডাইং বলেতবে বেশীরভাগ জায়গায় পিছ ডাইং পদ্ধতি ব্যাবহার করে ডাইং করা হয় যেখানে উইভিং/নিটিং করে ফেব্রিক তৈরির পরে তবেই তাকে ডাইং করা হয়।পিছ ডাইং সর্বোত্তম ফ্লেক্সিবিলিটি দিতে সক্ষম।

বর্তমানে খুব কম সংখ্যক মিলেই ব্লেন্ডিং না করে যেকোন একটি ফাইবারকে বিশুদ্ধ রেখে ইয়ারন তৈরি করা হয় ।ব্লেন্ডিং এর মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন প্রাকৃতিক ও ক্রিত্তিম ফাইবারকে একসাথে মিশিয়ে নেওয়া হয়।যেমন পলিয়েস্টার সবচেয়ে বেশি ব্যাবহৃত ক্রিত্তিম ফাইবার । এর শক্তি,সংকোচনহীনতা এবং সবথেকে বড় গুন হল একে খুব সহজে ধুয়ে পরিষ্কার করা যায় এবং তাড়াতাড়ি শুকিয়েও ফেলা যায়। এদানিংকালের শার্ট এবং ব্লাউজের কাপড়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্লেন্ডিং হল পলিয়েস্টার+তুলার ব্লেন্ডিং যেখানে ৬৫% পলিয়েস্টারের সাথে ৩৫% তুলা মেশানো হয় ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 

দর্শক সংখ্যা

বিজ্ঞাপন

যোগাযোগ Amitptec6th@gmail.com

সতর্কবার্তা

বিনা অনুমতিতে টেক্সটাইল ম্যানিয়ার - কন্টেন্ট ব্যাবহার করা আইনগত অপরাধ,যেকোন ধরণের কপি পেস্ট কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং কপিরাইট আইনে বিচারযোগ্য !