স্বাগতম

মোদের গরব, মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা |পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলাভাষী মানুষের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই!

রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০১৫

জীবনী, মার্চেন্ডাইজিং - ০১ (Merchandising Life Cycle- 01)




বর্তমান সময়ের একটি লোভনীয় পেশার নাম মার্চেন্টাইজিং।যার বাংলা অর্থ সওদাগরী ।এ পেশায় সম্ভাবনার কোন কমতি না থাকলেও পেশা হিসেবে মার্চেণ্টাইজিং খুব সহজ না ।কেননা কোন প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে জটিল ও গুরুদায়িক্তগুলো মার্চেন্টাইজারদের উপর অর্পিত থাকে।একজন মার্চেন্টাইজার টেক্সটাইল ফার্মের ম্যানেজমেন্ট ও প্রোডাকশন লেভেলের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে কোন প্রোডাক্টের মান ও বিক্রির পরিমান বৃদ্ধি করে থাকেন। তাই মার্চেন্টাইজার হিসেবে
দায়িক্ত প্রাপ্ত ব্যাক্তির মধ্যে অবশ্যই শক্তিশালী যোগাযোগ ও মীমাংসা করার ক্ষমতা সবমিলিয়ে পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকতে হবে ।থাকতে হবে প্রখর দৃষ্টিশক্তি ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা, হতে হবে সৃজনশীল ও প্রগতিশীল মানসিকতার অধিকারী ।

একজন দক্ষ মার্চেন্টাইজারকে তার কাজের প্রতি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি দায়িক্তশীল থাকতে হবে। 
কাজের ধরণের কারনেই মার্চেন্টাইজারকে তার কাজের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে মনোযোগী থাকতে হয়।
এ পেশায় সংক্ষিপ্ততার কোন সুযোগ নেই ।
 এখানে একটুখানি একাগ্রতার অভাব বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে । বেশীরভাগ জায়গায় একজন মার্চেন্টাইজারকে দিনে ১০ থেকে ১৪ ঘণ্টার উপড়ে কাজ করতে হয়। অধিকাংশ সময় তাদের কাজে ভারাক্রান্ত অবস্থায় থাকতে হয় কখনও কখনও গভীর রাত পর্যন্ত অফিসে থাকতে হয় ।দিনে দিনে তাদের একটা রোবোটিক জীবনধারার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হয় ।ব্যাপারটা এমন নয় যে দুর্বল কর্মদক্ষতার কারণে তাদের এত বেশি শ্রম দিতে হয়,এখানে কর্মদক্ষতার উপড়ে কারণ হয়ে দাঁড়ায় কাজের ভারত্ব । প্রস্তুতকারক বা মালিক একজন মার্চেন্টাইজার নিয়োগ করার সময় যতটা না কাজের চাপের কথা ভাবেন তার চেয়ে বেশি ভাবেন দু তিন জনের জায়গায় যদি একজন লোক দিয়ে উদ্দেশ্য সাধন করা যায় তার উপড়।কারণ কোন ইন্ডাস্ট্রির প্রোডাকশন লেভেল খরচের সিংহভাগ ব্যায় হয় লোকবল নিয়োগে।এজন্যই মার্চেন্টাইজিং পেশা মানেই গুরুদায়িক্ত আর দায়িক্তের অধিক কাজ করা।

পরিনামে তাদের চিরাচরিত জীবনের উপভোগ্য জিনিসের প্রতি আকর্ষণ কমাতে হয়। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে মার্চেন্টাইজাইজিং পেশার মানুষেরা পঞ্চাশোর্ধ বয়স পর্যন্ত নিরোগ থাকতে পারেন না।
পরিবারে পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেন না,আত্বীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের সাথে ঠিকভাবে সংযোগ রক্ষা করতে পারেন না,এরকম আরও অনেক অপারগতার নিয়েই তাদের জীবন অতিবাহিত করতে হয়। এই ব্যাতিব্যাস্ত পেশাজীবনের সাথে তাল মিলিয়ে নিতে কিছু ব্যাতিক্রমী লাইফ স্টাইল প্রয়োজন।কিভাবে হাজারটা কাজের মধ্যেও মস্তিক্স অবিচল রাখা যায়,দক্ষতার সমবায় ঘটিয়ে কিভাবে সহজে ও কম সময়ের মধ্যে সব কাজ পরিচালনা করা যায় তার জন্য কিছু নির্দেশনা পরের পোস্টে দেয়ার চেষ্টা করা হলঃ-
  
জীবনী,মার্চেন্টাইজিং -০২(Merchandising Life cycle- 02)

1 টি মন্তব্য:

 

দর্শক সংখ্যা

বিজ্ঞাপন

যোগাযোগ Amitptec6th@gmail.com

সতর্কবার্তা

বিনা অনুমতিতে টেক্সটাইল ম্যানিয়ার - কন্টেন্ট ব্যাবহার করা আইনগত অপরাধ,যেকোন ধরণের কপি পেস্ট কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং কপিরাইট আইনে বিচারযোগ্য !