স্বাগতম

মোদের গরব, মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা |পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলাভাষী মানুষের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই!

বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

জেনে নিন নন ওভেন ফেব্রিক সম্পর্কে(Get Know About Non Oven Fabric)

নন ওভেন সারজিক্যাল গাউন-ক্যাপ


নন ওভেন কাপড়কে নতুন টেকনোলজির ফেব্রিক মনে করা হলেও মজার বিষয় হচ্ছে অনেক প্রাচীন কাল থেকে মানুষ নন ওভেন ফেব্রিক ব্যাবহার করে আসছে । এর সবচেয়ে স্বীকৃত উদাহরণ হল আদিম মানুষের প্রাণীজ পশমের কাপড় । নন ওভেন ফেব্রিকের সবচে প্রাচীন যে নিদর্শনটি পাওয়া গেছে তা ৩৫০০-৩০০০ খ্রিস্টপূর্ব সময়কালের ।  পশমি কাপড়টি তৈরি হয়েছিল বিভিন্ন প্রানীর চুল থেকে ।


পরবর্তীতে আধুনিক যুগে যখন আবার নন-ওভেনের প্রচলন পুনরায় শুরু হল তখন তা সীমাবদ্ধ ছিল কেবল প্রটেক্টিভ ক্লথ হিসেবে যেমন তাবু টাঙ্গানোর মত নন ওভেন কাপড়ে।কিন্তু সম্প্রতি সার্জিকাল গাউন-ক্যাপ,শিশু ডাইয়াপার, ফিল্টার ক্লথ,ভ্যাকুয়াম ব্যাগ,রুমাল,জিও ও হাইজেনিক টেক্সটাইল ছাড়াও বিভিন্ন ফ্যাশনেবল গাউন,ব্রা,কাঁধের প্যাড,গ্লভ ইন্সুলেশন ইত্যাদিতেও  নন ওভেনের ব্যাবহার হচ্ছে ।


প্রথাগত ফেব্রিক ম্যানুফাকচারিং এ প্রথমে ফাইবারকে ইয়ার্নে তারপর ইয়ার্নকে ফেব্রিকে রূপান্তরিত করা হয়। কিন্তু নন ওভেনের ফেব্রিক ম্যানুফাকচারিং সম্পুর্ন আলাদা। এখানে ফাইবারকে সরাসরি ফেব্রিকে পরিনত করা হয় ।

            “তাপ ও চাপের প্রভাবে সমান্তরাল,এলোমেলো বা আড়াআড়ি থাকা ফাইবার গুচ্ছের সাথে আঠালো  তাপসহিষ্ণ ফাইবারের বন্ধন গঠনের মাধ্যমে নন ওভেন ফেব্রিক তৈরি হয়।


ষাটের দশকে প্রথম যখন নন ওভেন ফেব্রিকের উপড় গবেষণা শুরু হয়েছিল, তখন পপুলার না হলেও সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় এ ফেব্রিকের মানে অনেক উন্নতি এসেছে। এখনকার নন ওভেন আগের তুলনায় অনেক হালকা,টেকসই,প্রসারণক্ষমতাসম্পন্ন ।
যদিও ওভেন ও নিটেড ফেব্রিক কে কেন্দ্র করে মূলত এপারেল মার্কেট সচল , তথাপি কয়েক দশক ধরে নন ওভেনের প্রোডাক্ট ক্রমশ এপারেল মার্কেটে  জায়গা করে নিচ্ছে ।



তথ্যসুত্রঃ-
http://www.fibre2fashion.com/
http://www.tikp.co.uk/knowledge/technology/nonwovens/introduction/
https://en.wikipedia.org/wiki/Nonwoven_fabric



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 

দর্শক সংখ্যা

বিজ্ঞাপন

যোগাযোগ Amitptec6th@gmail.com

সতর্কবার্তা

বিনা অনুমতিতে টেক্সটাইল ম্যানিয়ার - কন্টেন্ট ব্যাবহার করা আইনগত অপরাধ,যেকোন ধরণের কপি পেস্ট কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং কপিরাইট আইনে বিচারযোগ্য !